সত্য প্রকাশে আপোষহীন (কমিটির অনুমোদনক্রমে)
প্রধান সংবাদ

মাসের এক তারিখে ডিজেল আসে। ট্রাক না, ভ্যান। ভ্যানে ড্রাম।
বাতেন ম্যানেজার কাগজে সই করে। কাগজে লেখা দশ ড্রাম। ভ্যানে থাকে ছয়টা। বাকি চারটা কোথায়, এই প্রশ্ন আমি করি না। প্রশ্ন করা আমার ডিউটির মধ্যে নাই। আমার ডিউটি গেট খোলা আর গেট বন্ধ করা। দুইটাই আমি ঠিকমতো করি।
সম্পূর্ণ পড়ুন
রবিবার বাসায় কারেন্ট ছিলো না। জেনারেটর চলে নাই। বাতেন বলল, ডিজেল শেষ। মাসের তেরো তারিখে ডিজেল শেষ হয় কীভাবে, এই প্রশ্ন আমি করি না। আমি সমাধান খুঁজি।…

কোষাধ্যক্ষ হইছি। প্রথম কাজ: অডিট। নিজের হিসাব নিজে দেখা। এর চেয়ে স্বচ্ছ আর কী হয়। যে হিসাব রাখছে, সে-ই সবচেয়ে ভালো জানে কোথায় কী আছে। আনোয়ার ভাই …

নতুন কমিটির প্রথম সিদ্ধান্ত: উন্নয়ন তহবিল। ফ্ল্যাট প্রতি পাঁচশো টাকা, প্রতি মাসে। সার্ভিস চার্জের বাইরে।…
স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে
স্বচ্ছতা নিয়ে আজকাল অনেক কথা হচ্ছে। ভালো কথা। আমি নিজেই স্বচ্ছতার পক্ষে, এবং সেটা আজকের নয়, বহু বছরের।
কেউ কেউ বলছেন, হিসাব দেখতে চান। দেখুন। কে বাধা দিয়েছে? খাতা আছে, খাতা মান্নান সাহেবের কাছে আছে, মান্নান সাহেব আছেন আমার কাছে। সবই এক জায়গায়। এর চেয়ে স্বচ্ছ আর কী হয়।
সমস্যা হলো, হিসাব দেখা আর হিসাব বোঝা এক জিনিস না। উন্নয়ন তহবিলের একটা এন্ট্রি দেখে কেউ যদি প্রশ্ন তোলেন, তাহলে আমাকে বসে বুঝাতে হয়। সময় নষ্ট। আর সময়ই তো আসল খরচ, যেটা কোনো খাতায় ওঠে না।
দারোয়ানের পকেটে একটা খাতা থাকে, শুনেছি। ড্রাম গোনে, গাড়ি গোনে। ভালো। ছোট হিসাব ছোট মানুষের কাজ। বড় হিসাব বড় দায়িত্ব, এবং বড় দায়িত্ব ভাগ করা যায় না।
তাই সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী সভায় পূর্ণাঙ্গ অডিট রিপোর্ট উপস্থাপন করা হবে। তারিখ পরে জানানো হবে। সভা হবে আমার ড্রইংরুমে, কারণ ওখানে সবাই ধরে।
গুমোট। বৃষ্টি হতে পারে। হলে নিচতলায় পানি উঠবে, এবং সেটা কারও দায়িত্ব না।
গত সংখ্যায় দারোয়ানকে "কর্মচারী" লেখা হয়েছিল। সঠিক পদবি "দারোয়ান"। তার কোনো নাম ছাপা হয় নাই, এবং হবেও না, কারণ প্রয়োজন পড়ে নাই।