দৈনিক সুখনীড় সমাচার

সত্য প্রকাশে আপোষহীন (কমিটির অনুমোদনক্রমে)

সংখ্যা ১৪ · কলাম

স্বেচ্ছাসেবক প্রধান

আনোয়ার ভাই আমারে সুখনীড় দিবসের স্বেচ্ছাসেবক প্রধান বানাইছেন। প্রধান। জীবনে প্রথম।

জিগাইলাম, আমার দলে কে কে? বাতেন খাতা দেইখা কইলো, আপনি।

এক মানুষের দল সবচেয়ে সংঘবদ্ধ দল। কোনো ঝগড়া নাই।

প্রথম দায়িত্ব: চেয়ারগুলা ছাদে তোলা। লিফট নষ্ট।

দ্বিতীয় দায়িত্ব: কেকের অগ্রিম। দোকানদার নগদ চায়, তহবিলের টাকা আসতে সময় লাগে, মান্নান ভাই কইলেন। আমি দিয়া দিলাম। পরে পাবো।

তৃতীয় দায়িত্ব: ব্যাজ পরা। বাতেন একটা কাগজে লিখা দিলো: স্বেচ্ছাসেবক। "প্রধান" শব্দটা কাগজে ধরে নাই।

সিঁড়ির বাতিটা আজকেও জ্বলে নাই। কবে থেকে জ্বলে না, কেউ জানে না।

চার তলায় অন্ধকারে একটা বিড়ালের সাথে দেখা। আমারে দেইখা সইরা দাঁড়াইলো। মনে হয় ব্যাজটা দেখছে।

একবার মনে হইলো আনোয়ার ভাই বারান্দা থেকে কিছু ডাকলেন। আমি শুনলাম "শাবাশ"। পরে বাতেন কইলো, উনি চা চাইছিলেন।

রাতে হিসাব করলাম। চেয়ার উঠাইছি, কেকের টাকা দিছি, ব্যাজ পরছি। প্রধান হিসাবে খারাপ না।

ব্যাজটা খুলি নাই। ঘুমানোর সময়ও বুকের উপর।

করিম বক্সীআজীবন সদস্য, সুখনীড় ফ্ল্যাট ওনার্স কল্যাণ সমিতি
ফ্ল্যাট ৪বি
শেয়ার করুনফেসবুকএক্সটেলিগ্রাম

পাঠকের মন্তব্য

অশ্লীল ভাষা বা লিংক থাকলে মন্তব্যটি সম্পাদকের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করবে।

চিঠিপত্র · পাঠকের মতামত

মকবুল হোসেনপ্রধান হইতে হইলে নিচে লোক লাগে। আমি নিচে থাকবো না, আমি ল্যান্ড ওনার।
শাহেদকবি বলেছেন, যার দলে সে একা, তার দলে বিদ্রোহ হয় না। কবিটা আমি।
রহিমা বুয়াকেকের অগ্রিম ভাইজান দিছেন। কেকের বিল তহবিলে উঠছে। দুইটা খবর, দাম আলাদা।
← শীতের সাশ্রয়অষ্টম ক্যামেরা →