দৈনিক সুখনীড় সমাচার

সত্য প্রকাশে আপোষহীন (কমিটির অনুমোদনক্রমে)

সংখ্যা ১৪ · কলাম

শীতের সাশ্রয়

একটা ১০০% কার্যকর পরামর্শ দেই। শীত আসতেছে। রাতে ফ্যান কম চলবে, বিদ্যুৎ বিল কমবে, টাকা বাঁচবে।

বাঁচানো টাকা কই যাবে, এইটা নিয়া মানুষ চিন্তা করে না। আমি করি। আমি কোষাধ্যক্ষ।

তাই নোটিশ দিলাম: শীতকালীন সমন্বয়। সার্ভিস চার্জ সামান্য বাড়লো। কারো পকেট থেকে বাড়তি কিছু যাইতেছে না, কারণ টাকাটা তো উনারা এমনিতেই বাঁচাইতেছেন। এইটা সাইন্স।

সকালে বারান্দায় হালকা কুয়াশা ছিলো। নাকি পাশের বাসার রুটি পোড়ার ধোঁয়া, বুঝি নাই।

সিঁড়িতে করিম ভাইয়ের সাথে দেখা। উনি খুশি। মান্নান ভাই, শীত আসতেছে, টাকা বাঁচবে।

বাঁচবে।

তাইলে চার্জ বাড়লো কেন?

বাঁচানো টাকা তো কোথাও যাইতে হবে। নষ্ট করা যায় না।

উনি অনেকক্ষণ ভাবলেন। তারপর বললেন, ঠিক, নষ্ট করা যায় না। পকেট থেকে টাকা বাইর করলেন। অগ্রিম।

রাতে তানিয়া জিগাইলো, বাবা, গরমে চার্জ বাড়ে এসির জন্য, শীতে বাড়ে সাশ্রয়ের জন্য। কমে কখন?

বললাম, বসন্তে বিবেচনা করা হবে।

ঢাকায় বসন্ত আসে না। ও জানে। আমিও জানি।

আব্দুল মান্নানসাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ, সুখনীড় ফ্ল্যাট ওনার্স কল্যাণ সমিতি
ফ্ল্যাট ২বি
শেয়ার করুনফেসবুকএক্সটেলিগ্রাম

পাঠকের মন্তব্য

অশ্লীল ভাষা বা লিংক থাকলে মন্তব্যটি সম্পাদকের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করবে।

চিঠিপত্র · পাঠকের মতামত

করিম বক্সীঅগ্রিম দিয়া দিছি। শীতে টাকা হাতে রাখলে ঠান্ডা লাগে।
রোকসানাশীতে আমার সাশ্রয় হয় না। গরম পানি বেশি লাগে, রান্নাও বেশি।
তানিয়াবাবা, বসন্তের নোটিশটা আমি এখনই লিখা রাখলাম। তারিখের ঘর খালি।
← সুখনীড়ের জন্মদিনস্বেচ্ছাসেবক প্রধান →