দৈনিক সুখনীড় সমাচার

সত্য প্রকাশে আপোষহীন (কমিটির অনুমোদনক্রমে)

সংখ্যা ১৪ · কলাম

সুখনীড়ের জন্মদিন

সুখনীড়ের জন্মদিন আর আমার জন্মদিন একই দিনে। এইটা জানা গেলো গতকাল, যখন তারিখটা আমি ঠিক করলাম।

বিবাহ স্থগিত কমিটির তহবিলে টাকা পইড়া আছে। শুভকাজের প্রস্তাব চাইছিলাম। কেউ প্রস্তাব দেয় নাই। নীরবতাও এক ধরনের সম্মতি।

তাই ঘোষণা দিলাম: সুখনীড় দিবস। ছয় নভেম্বর।

বাতেন জিগাইলো, স্যার, বিল্ডিং আসলে কবে বানানো হইছিলো?

দলিল আছে আলমারিতে। আলমারির চাবি আমার কাছে। খুঁজতে ইচ্ছা করে নাই।

খরচ তহবিল থেকে। করিম ভাইয়ের খামটাও আছে, উনি ফেরত চান নাই। বাকিটা উদযাপন চার্জ। ফ্ল্যাটপ্রতি, এককালীন, প্রতি মাসে।

নিচে জেনারেটরের তেল নাকি শেষ। কেউ আনতে যায় নাই। আমিও কাউরে বলি নাই।

অনুষ্ঠানসূচি বাতেন লিখলো। উদ্বোধনী বক্তব্য: সভাপতি। মূল বক্তব্য: সভাপতি। সমাপনী বক্তব্যে আসার আগে ও আমার দিকে তাকাইলো। আমি জানালার দিকে তাকাইলাম। ও লিখলো।

তারপর ব্যানারের খসড়া আনলো: "সুখনীড় দিবস ও সভাপতির জন্মদিন"।

আমি কিছু বলি নাই। কেউ নিজের উদ্যোগে কিছু করলে বাধা দিতে নাই।

খসড়ায় আমার ছবিটা বড়। বিল্ডিংটা পিছনে। ছোট কইরা।

আনোয়ার চৌধুরীসভাপতি, সুখনীড় ফ্ল্যাট ওনার্স কল্যাণ সমিতি
ফ্ল্যাট ৭
শেয়ার করুনফেসবুকএক্সটেলিগ্রাম

পাঠকের মন্তব্য

অশ্লীল ভাষা বা লিংক থাকলে মন্তব্যটি সম্পাদকের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করবে।

চিঠিপত্র · পাঠকের মতামত

তানিয়াআঙ্কেল, বিল্ডিংয়ের বয়স কত হইলো? নাকি ওইটাও যথাসময়ে?
করিম বক্সীআমার খামটা শুভকাজে লাগতেছে। বিয়াতে না হোক, জন্মদিনে।
দারোয়ানস্যার, দলিলের তারিখ আমার খাতায় আছে। খাতা তো অফিসে জমা, অফিস তো আপনার আলমারি।
← নাশীতের সাশ্রয় →