না
দ্বিতীয় সভা আঙ্কেলের ড্রইংরুমে। এইবার সিঁড়িতে বসি নাই। নক কইরা ভিতরে গেলাম।
কেউ কিছু বললো না। বাতেন আঙ্কেল একটা প্লাস্টিকের চেয়ার আনলো। মকবুল আঙ্কেলের পার্কিংয়ের।
সিঙ্গারা এইবার অনেক। প্যান্ডেল গেলো, মেনু গেলো, দাওয়াত গেলো। সিঙ্গারা তখনো আছে।
আঙ্কেল কইলেন, বিবিধ। মা, তুমি লিখিত দিবা বলছিলা।
আমার ফোনে পাঁচটা ড্রাফট। একটা রাগী, একটা শান্ত, একটা ইংরেজিতে। বাকি দুইটা কে লিখছে জানি না।
খুললাম না। বললাম, না।
বাবা সিলের দিকে হাত দিলো। থামলো। মকবুল আঙ্কেলের মুখে সিঙ্গারা, উনিও থামলেন।
আঙ্কেলের ফোন বাজলো। জি। জি। আচ্ছা। রাখলেন। বাতেন আঙ্কেলরে কইলেন, লেখো, বিবিধ নিষ্পত্তি।
জেনারেটর চলতেছিলো, খালি সাত তলায়। সিঁড়ি অন্ধকার।
নামতে নামতে খেয়াল হইলো, ফোন পকেটেই ছিলো। পুরাটা সময়। কিছুই রেকর্ড হয় নাই।
রাতে লিখলাম: আজকে একটা কাজ করছি। ভিডিও নাই। লাইক আসলো অল্প। সিঁড়ির রিলটা এখনো চলতেছে।
রিং লাইট জ্বালাইলাম। ফোন ট্রাইপডে। ক্যামেরার দিকে তাকায়া আবার বললাম, না।
আলো ঠিক হয় নাই। আরেকবার।