দৈনিক সুখনীড় সমাচার

সত্য প্রকাশে আপোষহীন (কমিটির অনুমোদনক্রমে)

সংখ্যা ১৩ · কলাম

গ্রামের বাড়ি

পূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি। ফেসবুকে ঘোষণা দিলাম: পরিবার নিয়া গ্রামের বাড়ি যাইতেছি। শিকড়ের টানে।

বাসের টিকিট নাই। ট্রেনের টিকিট নাই। কাউন্টারে একবার ফোন দিছিলাম। লাইন ব্যস্ত। আর দেই নাই।

শিকড় তো মনে থাকে। ছাদ এখন খোলা। রোকসানারে কইলাম, একটা পাটি, একটা হারিকেন আর আম্মার লাউগাছের টবটা উপরে নাও।

লাউগাছের পাশে বইসা ছবি তুললাম। ক্যাপশন: গ্রামের বাতাস, শহরের মানুষ বুঝবে না।

আম্মা ছবিটা উনার সব গ্রুপে পাঠাইলেন।

পাশের ছাদে কেউ ঘুড়ি উড়াইতেছিলো। ঘুড়িটা একবার আমাদের মাথার উপর দিয়া গেলো। আর আসে নাই।

সন্ধ্যায় গ্রাম থেকে মামা ফোন দিলেন। কবে আসতেছো, স্টেশনে আসবো।

কইলাম, মামা, আমরা তো আইসা গেছি। আপনে টের পান নাই।

উনি অনেকক্ষণ চুপ থাকলেন। তারপর লাইনটা কাইটা গেলো, নাকি উনি কাটলেন, বুঝি নাই।

রোকসানা খাবার নিয়া বারবার উঠলো। লিফট ছুটিতে।

রাতে মশা। গ্রামে তো মশা থাকেই।

সকালে রোকসানা পাটি, বালিশ আর লাউগাছের টব নিয়া নামলো। আমি হারিকেনটা নিলাম।

মকবুল হোসেনল্যান্ড ওনার, সুখনীড় টাওয়ার মালিক সমিতি
ফ্ল্যাট ৫এ
শেয়ার করুনফেসবুকএক্সটেলিগ্রাম

পাঠকের মন্তব্য

অশ্লীল ভাষা বা লিংক থাকলে মন্তব্যটি সম্পাদকের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করবে।

চিঠিপত্র · পাঠকের মতামত

রোকসানাউনি গ্রামে গেছেন। রান্নাঘর শহরে থাকছে। আমি সারাদিন দুই জায়গায়।
আম্মালাউগাছটা আমার। গ্রামে যাওয়ার আগে কেউ জিগায় নাই।
শাহেদকবি বলেছেন: কেউ যায় বাসে, কেউ যায় লঞ্চে, মকবুল ভাই যান সিঁড়ি দিয়া। কবিটা আমি।
← হারানো শর্তনা →