দৈনিক সুখনীড় সমাচার

সত্য প্রকাশে আপোষহীন (কমিটির অনুমোদনক্রমে)

সংখ্যা ১৩ · কলাম

হারানো শর্ত

রাতে তানিয়া আপা গেটে আসলো। কইলো, দারোয়ান ভাই, খাতাটা।

আগের খাতাগুলা মান্নান স্যারের আলমারিতে। শেষেরটা আমার বুকপকেটে। এইটা কেউ কিনে নাই।

আপা জিগাইলো, কত?

কইলাম, পড়তে টাকা লাগবে না। ছবি তুললে আলাদা।

পাতাটা খুইলা দিলাম। সেদিন ছেলের বাবা আনোয়ার স্যারের বাসা থেকে নামতেছিলেন। গাড়িতে উঠার আগে ড্রাইভাররে কইলেন, আরেকটা কথা কইয়া আসছি, মেয়েটা রাজি কিনা জিগায়া নিতে। উপরে কেউ শুনছে বইলা মনে হয় না।

উপরে সবাই সিঙ্গারায় ছিলো। আমি গেটে ছিলাম। লেইখা রাখছি।

আপা পাতাটা অনেকক্ষণ পড়লো। তারপর মোবাইল বাইর করলো।

ছবি আলাদা, আপা।

মোবাইল আবার পকেটে গেলো।

পাশের পাড়ার মণ্ডপে ঢাক বাজতেছিলো। গেটের বাতিটা একবার নিভলো, আবার জ্বললো। এই বাতি এমনই, কেউ জানে না কেন।

যাওয়ার সময় আপা কী একটা কইলো। ঢাকের শব্দে শুনি নাই। ধন্যবাদ হইতে পারে।

যে শর্তে টাকা ছিলো, সবার মনে আছে। যেইটায় টাকা নাই, ওইটা গেটে পইড়া ছিলো।

খাতায় লিখলাম: পাতা দেখানো, কনেরে। টাকা নাই। পাতার কোনাটা ভাঁজ কইরা রাখলাম। আর কেউ আসবে।

দারোয়ান
শেয়ার করুনফেসবুকএক্সটেলিগ্রাম

পাঠকের মন্তব্য

অশ্লীল ভাষা বা লিংক থাকলে মন্তব্যটি সম্পাদকের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করবে।

চিঠিপত্র · পাঠকের মতামত

তানিয়াআমার বিয়ার একটাই শর্ত আমারে নিয়া ছিলো। ওইটাই হারাইছিলো।
রহিমা বুয়াআমি সিঙ্গারা গুনতেছিলাম। গোনাও তো একটা কাজ।
আনোয়ার চৌধুরীগেটে বলা কথা সমিতির রেকর্ডে যায় না। খাতাটা অফিসে জমা দাও।
← আগের দামের চালগ্রামের বাড়ি →