দৈনিক সুখনীড় সমাচার

সত্য প্রকাশে আপোষহীন (কমিটির অনুমোদনক্রমে)

সংখ্যা ১৩ · কলাম

আগের দামের চাল

খবরে দেখলাম, চালের দাম কেজিতে তিন টাকা বাড়ছে। ঠিক করলাম, বাড়তি দামে কিনবো না।

মুদি দোকানে গিয়া বললাম, ভাই, আগের চাল দেন। আগের দামেরটা।

দোকানদার কইলো, পুরান চাল? আছে।

হ্যাঁ, পুরানটাই। নতুন দাম আমি দিবো না।

উনি পিছনের বস্তা থেকে মাইপা দিলেন। দাম বললেন। আমি দিলাম। আগের দামের চালের দাম নিয়া আবার কী কথা।

দোকানের সামনে একটা কুকুর সবসময় শুইয়া থাকে। আজকে ছিলো না। কই গেছে কেউ জানে না।

বাসায় আইসা রহিমা বুয়ারে দেখাইলাম। দেখো, দাম বাড়ার আগেরটা আনছি।

বুয়া রসিদ দেখলো। ভাইজান, এইটা পুরান চাল। পুরান চালের দাম নতুনটার চেয়েও বেশি।

পুরান মানেই তো আগের।

বুয়া কিছু বললো না। চাল ধুইতে গেলো।

ও কী জানি বিড়বিড় করলো, পানির শব্দে শুনি নাই।

রাতে ভাত খাইলাম। ঝরঝরা ভাত। প্লেটে একটা দানাও রাখি নাই।

দামি জিনিস।

করিম বক্সীআজীবন সদস্য, সুখনীড় ফ্ল্যাট ওনার্স কল্যাণ সমিতি
ফ্ল্যাট ৪বি
শেয়ার করুনফেসবুকএক্সটেলিগ্রাম

পাঠকের মন্তব্য

অশ্লীল ভাষা বা লিংক থাকলে মন্তব্যটি সম্পাদকের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করবে।

চিঠিপত্র · পাঠকের মতামত

রহিমা বুয়াভাইজানরে বুঝাইতে চাইছিলাম। বুঝানোর বিল আলাদা, তাই থামছি।
মান্নানকরিম ভাই সবসময় বাড়তি দেন। সমিতিতেও। আল্লাহ উনারে বরকত দিক।
মকবুল হোসেনআমিও পুরান চাল খাই। দাম জাইনা খাই। পার্থক্য এইখানে।
← দাওয়াতপত্রহারানো শর্ত →