দৈনিক সুখনীড় সমাচার

সত্য প্রকাশে আপোষহীন (কমিটির অনুমোদনক্রমে)

সংখ্যা ১৩ · কলাম

দাওয়াতপত্র

বিয়ার কার্ড ছাপা হইয়া আসছে। প্রেসরে অগ্রিম দিছিলাম, তহবিল থেকে, বিবাহ খাতে।

কার্ড সুন্দর হইছে। উপরে সমিতির সিল। নিচে লেখা: সৌজন্যে, বিবাহ বাস্তবায়ন কমিটি।

তারিখ শুক্রবার, তেইশ অক্টোবর। ছুটির মধ্যে কমিউনিটি সেন্টার ছাড় দেয়। এইটা সাইন্স।

প্রথম কার্ড গেলো করিম ভাইয়ের কাছে। উনি এত খুশি, সাথে সাথে উপহারের খাম দিয়া দিলেন। আমি রাইখা দিলাম।

রাতে তানিয়ারে একটা কার্ড দিলাম। দাওয়াত তো সবার।

ও অনেকক্ষণ কার্ডটা দেখলো।

বাবা, তুমি আমারে আমার বিয়ার তারিখ কার্ড দিয়া জানাইলা?

মুখে বললে ভুইলা যাইতা। কার্ড থাকে।

বর: যথাসময়ে। এইটা কী?

ছেলের নাম আনোয়ার ভাই এখনো দেন নাই। প্রেস তো বইসা থাকবে না। সত্যি বলতে নামটা আমিও জানি না। কমিউনিটি সেন্টারের রেট জানি। মুখস্থ।

পাশের পাড়ার মণ্ডপ থেকে ঢাকের আওয়াজ আসতেছিলো। বিড়ালটা সিঁড়িতে বইসা শুনতেছিলো। আমিও কিছুক্ষণ শুনলাম।

তানিয়া কার্ড নিয়া রুমে গেলো। দরজা বন্ধ।

আমি খাতায় তুললাম: কার্ড, একটা, কনেরে দেওয়া। আপ্যায়ন খাত।

আব্দুল মান্নানসাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ, সুখনীড় ফ্ল্যাট ওনার্স কল্যাণ সমিতি
ফ্ল্যাট ২বি
শেয়ার করুনফেসবুকএক্সটেলিগ্রাম

পাঠকের মন্তব্য

অশ্লীল ভাষা বা লিংক থাকলে মন্তব্যটি সম্পাদকের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করবে।

চিঠিপত্র · পাঠকের মতামত

তানিয়ানিজের বিয়ার দাওয়াত পাইলাম। যাবো কিনা ভাবতেছি।
করিম বক্সীপ্রথম কার্ড আমার। খাম দিয়া দিছি। বরের নাম আসলে খামের উপর লিখা দিবো।
আনোয়ার চৌধুরীনাম যথাসময়ে। কার্ডে জায়গা রাখা আছে, এইটাই পরিকল্পনা।
← বিবিধআগের দামের চাল →