দৈনিক সুখনীড় সমাচার

সত্য প্রকাশে আপোষহীন (কমিটির অনুমোদনক্রমে)

সংখ্যা ১২ · কলাম

বিবিধ

ছবি: নিজস্ব সূত্র। আনোয়ার চৌধুরী, বিবিধ প্রসঙ্গে।

বিয়া পারিবারিক বিষয়। কিন্তু পরিবারটা যখন সুখনীড়ের, বিষয়টা সমিতির। তাই একটা বিবাহ বাস্তবায়ন কমিটি করলাম।

আহ্বায়ক আমি, কারণ ছেলের বাবারে আমি চিনি। কোষাধ্যক্ষ মান্নান, কারণ কনের বাবা উনি, টাকা ঘরেই থাকবে। সদস্য সচিব বাতেন। মকবুল সাহেবও আছেন, কারণ উনি নিরপেক্ষ।

প্রথম সভা আজকে, আমার ড্রইংরুমে। এজেন্ডা চারটা: প্যান্ডেল, মেনু, দাওয়াতের লিস্ট, বিবিধ।

তানিয়ার মতামত রাখছি বিবিধ-তে। বিবিধ সবসময় শেষে থাকে, কারণ শেষেরটাই আসল।

প্যান্ডেল নিয়া অনেকক্ষণ গেলো।

মেনুতে মান্নান তেহারি চাইলো, খরচ কম। মকবুল সাহেব কাচ্চি চাইলেন। নিরপেক্ষভাবে।

সভার মাঝখানে কারেন্ট গেলো। জেনারেটর চালু হইলো, শুধু সাত তলায়। সভা চললো।

দাওয়াতের লিস্ট বাতেন বানায়া আনছে। দাওয়াত পাবে যারা সার্ভিস চার্জ দিছে। করিম ভাইয়ের নাম সবার উপরে।

তানিয়া সভার সময় সিঁড়িতে ছিলো কিনা জানি না। সিঁড়ির ক্যামেরাটা আজকেও দেয়ালের দিকে।

বিবিধ আসার আগে সিঙ্গারা শেষ। সিঙ্গারা ছাড়া সভা চলে না। মুলতবি।

কার্যবিবরণী লিখলো বাতেন। শেষ লাইন: বিবিধ, পরবর্তী সভায়। মান্নানরে সিল দিতে বললাম।

কালি একটু বেশি পড়লো। ঠিক "বিবিধ" শব্দটার উপর।

আনোয়ার চৌধুরীসভাপতি, সুখনীড় ফ্ল্যাট ওনার্স কল্যাণ সমিতি
ফ্ল্যাট ৭
শেয়ার করুনফেসবুকএক্সটেলিগ্রাম

পাঠকের মন্তব্য

অশ্লীল ভাষা বা লিংক থাকলে মন্তব্যটি সম্পাদকের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করবে।

চিঠিপত্র · পাঠকের মতামত

তানিয়াআমার বিয়ার এজেন্ডায় আমি বিবিধ।
করিম বক্সীদাওয়াতের লিস্টে আমার নাম সবার উপরে। এখনো কেউ দাওয়াত দেয় নাই, তবু।
রহিমা বুয়াবিবিধ-তে কী কথা হইতো, আমি জানি। দাম বাড়ছে।
← ছুটির নোটিশদাওয়াতপত্র →