দৈনিক সুখনীড় সমাচার

সত্য প্রকাশে আপোষহীন (কমিটির অনুমোদনক্রমে)

সংখ্যা ১২ · কলাম

কিস্তি

ছবি: নিজস্ব সূত্র। rahima bua, কিস্তি প্রসঙ্গে।

তানিয়া আপা কাল রাতে রান্নাঘরে আসলো। কইলো, বুয়া, শর্তগুলা বলো।

শর্ত আমি জানি। আনোয়ার স্যারের ড্রইংরুমে চা আমিই দেই। ট্রে যেখানে যায়, কানও সেখানে যায়।

কইলাম, আপা, একবারে সব শুনলে হজম হবে না। কিস্তিতে বলি। প্রত্যেক কিস্তি একশো টাকা।

প্রথম কিস্তি: বিয়ার পর জামাই সমিতির সদস্য হবে, সার্ভিস চার্জ দিবে। আপা চোখ বড় করলো, টাকা দিলো।

দ্বিতীয় কিস্তি: কাবিননামায় সমিতির সিল লাগবে। মান্নান স্যার সিল রেডি রাখছেন।

তৃতীয় কিস্তি: বৌভাতের চা-নাস্তা তহবিল থেকে।

আরেকটা শর্ত ছিলো। কী ছিলো, মনে নাই। স্যার তখন ফোনে কথা বলতেছিলেন, আমি সিঙ্গারা গুনতেছিলাম।

রান্নাঘরের কলটা টিপটিপ করে। অনেকদিন ধইরা। কেউ ঠিক করে না, আমিও কাউরে বলি না।

আপা জিগাইলো, ছেলে মানুষ কেমন?

কইলাম, ওইটা তো কেউ জিগায় নাই, তাই কেউ জানে না। আমি খোঁজ নিতে পারি। খোঁজের খরচ আছে।

আপা চুপ কইরা বিকাশ করলো। চইলা গেলো।

আমি নোটগুলা ভাঁজ কইরা রাখলাম। ট্রের নিচে, চায়ের কাপের পাশে।

রহিমা বুয়া
শেয়ার করুনফেসবুকএক্সটেলিগ্রাম

পাঠকের মন্তব্য

অশ্লীল ভাষা বা লিংক থাকলে মন্তব্যটি সম্পাদকের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করবে।

চিঠিপত্র · পাঠকের মতামত

তানিয়ানিজের বিয়ার খবর নিজে কিনলাম। ইনস্টলমেন্টে।
মান্নানসিলের কথা বাইরে বলার কী দরকার ছিলো।
দারোয়ানবুয়া, যেই শর্তটা আপনার মনে নাই, ওইটা আমার খাতায় আছে। দাম কম।
← রিপোর্টজলপাই →