দৈনিক সুখনীড় সমাচার

সত্য প্রকাশে আপোষহীন (কমিটির অনুমোদনক্রমে)

সংখ্যা ১১ · কলাম

রিপোর্ট

ছবি: নিজস্ব সূত্র। আব্দুল মান্নান, রিপোর্ট প্রসঙ্গে।

তদন্ত কমিটির রিপোর্ট তৈরি। লিখছি আমি, কারণ আমার হাতের লেখা সবচেয়ে পরিষ্কার।

রিপোর্টের প্রথম কথা: তহবিলের টাকায় খাতা কেনা নিয়মমাফিক হইছে। প্রমাণ: রসিদ আছে, সিল সহ।

দ্বিতীয় কথা: আসল অপরাধ ছবি ছড়ানো। তদন্তে পাওয়া গেছে, ছবি ছড়াইছেন আম্মা।

শাস্তি: আম্মারে বিল্ডিংয়ের নতুন গ্রুপে অ্যাড করা হবে না। উনি অবশ্য আগে থেকেই নাই, তাই শাস্তি কার্যকর করতে দেরি হয় নাই।

তৃতীয় কথা: কমিটির চা-নাস্তার খরচ তহবিল থেকে। ফলে তহবিলে ঘাটতি। ফলে সার্ভিস চার্জ আবার বাড়বে।

সভাপতি সাহেব রিপোর্ট পইড়া খুশি হইলেন। বললেন, মান্নান, এই রিপোর্ট ইতিহাস হইয়া থাকবে।

শেষ পাতায় সিল দিলাম। সিল দিতে আমার ভালো লাগে।

বাথরুমের কলটা এখনো টপটপ করে। মিস্ত্রির নাম্বার একটা খাতায় লেখা আছে। কোন খাতায়, মনে নাই।

রাতে শুনলাম আম্মা রিপোর্টটা পাইছেন। কে পাঠাইছে, জানি না।

উনি ষাটজনরে পাঠাইছেন। সাথে লিখছেন: সরকারি রিপোর্ট, সবাই পড়েন।

আব্দুল মান্নানসাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ, সুখনীড় ফ্ল্যাট ওনার্স কল্যাণ সমিতি
ফ্ল্যাট ২বি
শেয়ার করুনফেসবুকএক্সটেলিগ্রাম

পাঠকের মন্তব্য

অশ্লীল ভাষা বা লিংক থাকলে মন্তব্যটি সম্পাদকের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করবে।

চিঠিপত্র · পাঠকের মতামত

আম্মাশাস্তি পাইছি, তাও রিপোর্টটা ভালো হইছে। পাঠায়া দিছি।
তানিয়াতদন্তে প্রমাণ হইলো: চুরি অপরাধ না, ফরওয়ার্ড অপরাধ।
দারোয়ানস্যার রিপোর্টে সিল দিছেন। আমার খাতায় রিপোর্টের একটা ছবি আছে।
← জ্যামকিস্তি →