দৈনিক সুখনীড় সমাচার

সত্য প্রকাশে আপোষহীন (কমিটির অনুমোদনক্রমে)

সংখ্যা ১১ · কলাম

জ্যাম

ছবি: নিজস্ব সূত্র। শাহেদ, জ্যাম প্রসঙ্গে।

সকালে বৃষ্টি হইলো, আর মোহাম্মদপুর থেকে ফার্মগেট যাইতে লাগলো আড়াই ঘণ্টা।

বাসের সবাই রাগ করে। আমি করি নাই। এতক্ষণ কেউ আমারে কিছু করতে বলে নাই। জীবনে এত শান্তি পাই নাই।

আমার জানালার পাশে আরেকটা বাস, সেই জানালায় একজন লোক। প্রথমে আমরা দুইজনই বাইরে তাকায়া ছিলাম। তারপর একজন আরেকজনের দিকে।

তারপর উনি জানালা দিয়া একটা বাদাম দিলেন। আমি একটা লাইন বললাম:

বৃষ্টি নামে, বাস থামে, তুমি থামো পাশে, জ্যাম না থাকলে দেখা হইতো? থাকতা কি এই বাসে?

উনি হাসলেন। নাম জিগানোর আগেই উনার বাস একটু আগায় গেলো। আমারটা গেলো না।

রাস্তার পাশে একজন হাঁটুপানিতে দাঁড়ায়া সিগারেট খাইতেছিলো, পুরা সময়। কোথাও যাইতেছিলো না।

অফিসে পৌঁছাইলাম। বস জিগাইলেন দেরি কেন।

বললাম, স্যার, রাস্তায় একজন বন্ধু হারায়া ফেলছি।

বস কী বললেন, শুনি নাই।

ফেরার পথে আবার জ্যাম। সেই বাসটা খুঁজলাম। অনেক বাস, সবগুলার জানালায় মানুষ, সবাই বাইরে তাকায়া আছে।

শাহেদসদস্য, সুখনীড় কল্যাণ সমিতি
ফ্ল্যাট ৬বি
শেয়ার করুনফেসবুকএক্সটেলিগ্রাম

পাঠকের মন্তব্য

অশ্লীল ভাষা বা লিংক থাকলে মন্তব্যটি সম্পাদকের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করবে।

চিঠিপত্র · পাঠকের মতামত

তানিয়াশাহেদ ভাই জ্যামে বইসা একটা বন্ধু পাইছেন। আমি সারাজীবন ঢাকায়, একটাও না।
মকবুল হোসেনআমি জ্যামে কাউরে বাদাম দেই না। পরে বন্ধু হইতে চায়।
আনোয়ার চৌধুরীজলাবদ্ধতা নিয়া সমিতির উপকমিটি আছে। বৃষ্টি বেশি হইলে সভা করবে, চা-নাস্তাসহ।
← শুনানিরিপোর্ট →