দৈনিক সুখনীড় সমাচার

সত্য প্রকাশে আপোষহীন (কমিটির অনুমোদনক্রমে)

সংখ্যা ১১ · কলাম

শুনানি

ছবি: নিজস্ব সূত্র। দারোয়ান, শুনানি প্রসঙ্গে।

সোমবার সভাপতি স্যারের ড্রইংরুমে তদন্ত কমিটির শুনানি। আমারে ডাকা হইলো। চেয়ার দেওয়া হয় নাই, দাঁড়ায়া থাকলাম।

সভাপতি স্যার জিগাইলেন, ছবিটা কে তুলছে?

বললাম, স্যার, বিল্ডিংয়ে ক্যামেরা অনেক। দেখেন।

ফুটেজ দেখা হইলো। সব ক্যামেরা মানুষের দিকে, খালি একটা দেয়ালের দিকে। ছবি তোলা হইছিলো ওই দেয়ালের সামনে।

তারপর মান্নান স্যার বললেন, তোমার পকেটের নতুন খাতাটাও জমা দাও।

বললাম, দিবো স্যার। দাম আগের চেয়ে তিনগুণ। বাজারের অবস্থা তো জানেন।

মান্নান স্যার মানিব্যাগে হাত দিলেন। সভাপতি স্যার থামাইলেন। বললেন, এইবার তহবিল থেকে না, নিজের পকেট থেকে।

মান্নান স্যার মানিব্যাগ পকেটে রাইখা দিলেন। খাতার প্রতি উনার আগ্রহ সাথে সাথে চইলা গেলো।

সভাপতি স্যার আরো কী একটা কইলেন ইংরেজিতে। বুঝি নাই, মাথা নাড়লাম।

মকবুল স্যার পুরা শুনানিতে সিঙ্গারা খাইলেন। একটা কথাও বলেন নাই।

জানালার বাইরে কেউ একজন সারাক্ষণ কাক তাড়াইতেছিলো। কাক যায় না।

শেষে চা আসলো। বাতেন স্যার খাতায় লিখলেন: তদন্ত কমিটির আপ্যায়ন, তহবিল থেকে।

আমি নিজের খাতায় লিখলাম, একই কথা।

দারোয়ান
শেয়ার করুনফেসবুকএক্সটেলিগ্রাম

পাঠকের মন্তব্য

অশ্লীল ভাষা বা লিংক থাকলে মন্তব্যটি সম্পাদকের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করবে।

চিঠিপত্র · পাঠকের মতামত

তানিয়াতহবিলের টাকায় বাবা দুইটা খাতা কিনছে। নিজের টাকার কথা শুইনা তিন নম্বরটা আর লাগলো না।
আনোয়ার চৌধুরীশুনানি স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হইছে। ফুটেজে দেয়াল ছাড়া কিছু পাওয়া যায় নাই।
রহিমা বুয়াশুনানিতে চা দিছি কয়েক কাপ। খাতায় লেখা হইছে অনেক কাপ।
← নয়-দুইজ্যাম →