দৈনিক সুখনীড় সমাচার

সত্য প্রকাশে আপোষহীন (কমিটির অনুমোদনক্রমে)

সংখ্যা ১১ · কলাম

নয়-দুই

ছবি: নিজস্ব সূত্র। মকবুল হোসেন, নয়-দুই প্রসঙ্গে।

ইন্দোনেশিয়ার সাথে খেলা। শুরুর আগেই পরিবারকে বললাম, খেলার সময় কেউ কথা বলবে না, দেশ খেলতেছে।

শুরুতেই প্রথম গোল খাইলাম। ঠিক তখন রোকসানা চা নিয়া ঢুকলো। খেয়াল করলাম।

পরের গোলের সময়ও সে ঘরে। বললাম, তুমি রান্নাঘরে যাও, তুমি থাকলে গোল খাই।

সে গেলো। আমরা আরো গোল খাইলাম। বুঝলাম, রান্নাঘর থেকেও তার প্রভাব আসতেছে।

আম্মারে বললাম দোয়া করেন। আম্মা দোয়া করলেন, তারপর কারে জানি স্কোরটা ফরওয়ার্ড করলেন। তারপর আরো গোল।

নিচতলায় কারো বাসায় টিভির শব্দ বাড়ে, কমে। কোন চ্যানেল, বোঝা যায় না।

খেলা শেষ। নয়টা খাইছি, দুইটা দিছি।

রাত দুইটায় পোস্ট দিলাম: দুইটা গোল দিছি, জাতি গর্বিত।

সকালে নাস্তায় রোকসানারে বললাম, পরের খেলায় তুমি বাপের বাড়ি থাকবা।

ও বললো, ঠিক আছে।

এত তাড়াতাড়ি রাজি হইলো কেন, বুঝলাম না।

মকবুল হোসেনল্যান্ড ওনার, সুখনীড় টাওয়ার মালিক সমিতি
ফ্ল্যাট ৫এ
শেয়ার করুনফেসবুকএক্সটেলিগ্রাম

পাঠকের মন্তব্য

অশ্লীল ভাষা বা লিংক থাকলে মন্তব্যটি সম্পাদকের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করবে।

চিঠিপত্র · পাঠকের মতামত

রোকসানাআমি রান্নাঘরে থাকলে দেশ গোল খায়। পরের খেলায় বাপের বাড়ি যাইতেছি। দেশের জন্য।
তানিয়ানয়টা গোল আন্টির দোষ, দুইটা গোল আঙ্কেলের কৃতিত্ব। হিসাবটা চমৎকার।
আম্মাআমি খালি স্কোরটা পাঠাইছিলাম। পাঠানোর পর আরো গোল হইছে। আমার কী দোষ।
← নিরপেক্ষ তদন্তশুনানি →