নয়-দুই

ইন্দোনেশিয়ার সাথে খেলা। শুরুর আগেই পরিবারকে বললাম, খেলার সময় কেউ কথা বলবে না, দেশ খেলতেছে।
শুরুতেই প্রথম গোল খাইলাম। ঠিক তখন রোকসানা চা নিয়া ঢুকলো। খেয়াল করলাম।
পরের গোলের সময়ও সে ঘরে। বললাম, তুমি রান্নাঘরে যাও, তুমি থাকলে গোল খাই।
সে গেলো। আমরা আরো গোল খাইলাম। বুঝলাম, রান্নাঘর থেকেও তার প্রভাব আসতেছে।
আম্মারে বললাম দোয়া করেন। আম্মা দোয়া করলেন, তারপর কারে জানি স্কোরটা ফরওয়ার্ড করলেন। তারপর আরো গোল।
নিচতলায় কারো বাসায় টিভির শব্দ বাড়ে, কমে। কোন চ্যানেল, বোঝা যায় না।
খেলা শেষ। নয়টা খাইছি, দুইটা দিছি।
রাত দুইটায় পোস্ট দিলাম: দুইটা গোল দিছি, জাতি গর্বিত।
সকালে নাস্তায় রোকসানারে বললাম, পরের খেলায় তুমি বাপের বাড়ি থাকবা।
ও বললো, ঠিক আছে।
এত তাড়াতাড়ি রাজি হইলো কেন, বুঝলাম না।
মকবুল হোসেনল্যান্ড ওনার, সুখনীড় টাওয়ার মালিক সমিতি
ফ্ল্যাট ৫এ
ফ্ল্যাট ৫এ