দৈনিক সুখনীড় সমাচার

সত্য প্রকাশে আপোষহীন (কমিটির অনুমোদনক্রমে)

সংখ্যা ১০ · কলাম

এক কাপ চা

ছবি: নিজস্ব সূত্র। রোকসানা, এক কাপ চা প্রসঙ্গে।

পত্রিকায় লিখছে, ঢাকার পুরুষরা এখন রান্নাঘরে ঢুকতেছে। উনি খবরটা জোরে জোরে পইড়া শোনাইলেন। তারপর রান্নাঘরে ঢুকলেন। বিয়ার পর এই প্রথম।

উনি চা বানাবেন। চুলা জ্বালাইতে আমারে ডাকলেন। চিনি কই, জিগাইলেন। দুধ কই, জিগাইলেন। কাপ কই, এইটাও।

চা হইলো। উনি কাপটা জানালার আলোয় রাখলেন, অনেকগুলা ছবি তুললেন। তারপর চা-টা নিজেই খাইলেন।

রাত দুইটায় পোস্ট দিলেন: স্ত্রীকে সাহায্য করুন, সংসার দুইজনের।

রান্নাঘর গুছাইতে আমার লাগলো এক ঘণ্টা। চিনির কৌটা খোলা, চুলায় দুধ পোড়া, মেঝেতে চা-পাতা।

নিচতলায় কেউ একজন কয়দিন ধইরা হাতুড়ি পিটাইতেছে। কী বানায়, কেউ জানে না।

পরদিন উনি জিগাইলেন, কাল থেকে রোজ বানাবো?

আমি তাড়াতাড়ি বললাম, না না, দরকার নাই।

উনি খুশি হইলেন। আমিও খুশি হইলাম। কেউ সাহায্য করলে কষ্টটা আর আমার একার থাকে না।

সকালে দেখি পোস্টে অনেক লাইক। সবাই লিখছে, ভাবি ভাগ্যবতী।

কাপটা তখনো সিংকে।

রোকসানাফ্ল্যাট ৫এ
শেয়ার করুনফেসবুকএক্সটেলিগ্রাম

পাঠকের মন্তব্য

অশ্লীল ভাষা বা লিংক থাকলে মন্তব্যটি সম্পাদকের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করবে।

চিঠিপত্র · পাঠকের মতামত

মকবুল হোসেনপোস্টটা আমার, স্বীকার করি। চা-টাও আমার ছিলো।
তানিয়াআঙ্কেল এক কাপ চা বানাইয়া হইলেন মডার্ন হাজব্যান্ড। আন্টি সারাজীবন বানাইয়া এখনো ভাবি।
আম্মাআমার ছেলে রান্নাঘরে ঢুকছে, এইটা আমি ফরওয়ার্ড করছি। ষাটজনরে।
← দরজার বাইরেসরকারি নোটিশ →