দৈনিক সুখনীড় সমাচার

সত্য প্রকাশে আপোষহীন (কমিটির অনুমোদনক্রমে)

সংখ্যা ১০ · কলাম

বাম পকেট

ছবি: নিজস্ব সূত্র। দারোয়ান, বাম পকেট প্রসঙ্গে।

মান্নান স্যার আবার নিচে আসছেন। এইবার সরাসরি জিগাইলেন, বাম পকেটে কী?

বললাম, খাতা, স্যার।

উনি বললেন, খাতা তো আগেই কিনলাম।

বললাম, স্যার, ওইটা ডান পকেটের। পকেট দুইটা, খাতাও দুইটা। এইটা আমার দোষ না, শার্টের ডিজাইন।

আগেরটার দাম ছিলো পাঁচশো। এইটার দাম ডাবল। স্যার জিগাইলেন, এত বেশি কেন?

বললাম, স্যার, তেলের দাম বাড়ছে, বাসভাড়া বাড়ছে। খাতার দাম না বাড়লে মানুষ কী ভাববে?

উনি কী জানি বললেন সততা নিয়া। ঠিক শুনি নাই, গেটে তখন একটা গাড়ি হর্ন দিতেছিলো।

টাকা দিলেন, তহবিল থেকে। খাতা নিলেন।

যাওয়ার সময় বললাম, স্যার, রসিদ ছাড়া লেনদেন হয় না। নতুন খাতাটায় একটা সিল দিয়া যান।

উনি খুশি হইয়া সিল দিলেন। সিল দিতে উনার খুব ভালো লাগে।

সিলের নিচে লিখলাম: খাতা বিক্রি। ক্রেতা মান্নান স্যার। টাকা তহবিলের।

গেটের পাশে একটা বিড়াল রোজ বিকালে আইসা বসে। আজকে আসে নাই।

নতুন খাতাটা এখন শার্টের পকেটে। প্যান্টের পকেট দুইটা, এখনো খালি।

দারোয়ান
শেয়ার করুনফেসবুকএক্সটেলিগ্রাম

পাঠকের মন্তব্য

অশ্লীল ভাষা বা লিংক থাকলে মন্তব্যটি সম্পাদকের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করবে।

চিঠিপত্র · পাঠকের মতামত

তানিয়াবাবা খাতা কিনে, দারোয়ান ভাই খাতা বেচে, টাকা দেয় তহবিল। এইটা হিসাব না, এইটা বাজার।
আনোয়ার চৌধুরীবিল্ডিংয়ে ব্যবসা করতে হইলে সমিতির অনুমতি লাগে। এইবারের মতো মাফ।
শাহেদকবি বলেছেন, যার পকেট যত বেশি, তার খাতা তত বেশি। কবিটা আমি।
← যে ড্রাম আসে নাকয়েক পয়সা →