দৈনিক সুখনীড় সমাচার

সত্য প্রকাশে আপোষহীন (কমিটির অনুমোদনক্রমে)

সংখ্যা ০৯ · কলাম

খাতা কেনা

ছবি: নিজস্ব সূত্র। আব্দুল মান্নান, খাতা কেনা প্রসঙ্গে।

কোষাধ্যক্ষ হিসাবে আমার নীতি পরিষ্কার: বিল্ডিংয়ে খাতা থাকবে একটা। দুইটা খাতা থাকলে মানুষ বিভ্রান্ত হয়।

শুনলাম দারোয়ানের পকেটে একটা খাতা আছে, ড্রাম গোনে। নিচে গেলাম। খুব ভদ্রভাবে বললাম, খাতাটা আমারে দাও, আমি সংরক্ষণ করবো।

ও বললো, জি স্যার। তারপর খাতাটা দিলো না।

পরদিন আবার গেলাম। এইবার পাঁচশো টাকা দিলাম। খাতা পাইলাম।

টাকাটা দিছি উন্নয়ন তহবিল থেকে। খাতা সংরক্ষণ একটা উন্নয়নমূলক কাজ, এইটা যে কেউ বুঝবে।

খাতাটা এখন আমার আলমারিতে, সিলের পাশে। সিল আর খাতা এক জায়গায়। এইটারে বলে সমন্বয়।

বাথরুমের কলটা কয়দিন ধইরা টপটপ করতেছে। মিস্ত্রি ডাকবো ডাকবো কইরা ডাকা হইতেছে না।

আজকে সকালে গেট দিয়া বাইর হইতেছি, দেখি দারোয়ান একটা নতুন খাতায় কী জানি লিখতেছে। জিগাইলাম, কী লেখো?

বললো, স্যার, খাতা বিক্রির হিসাব।

কথাটার মানে ঠিক ধরতে পারলাম না। তবে ছেলেটা হিসাবি।

আব্দুল মান্নানসাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ, সুখনীড় ফ্ল্যাট ওনার্স কল্যাণ সমিতি
ফ্ল্যাট ২বি
শেয়ার করুনফেসবুকএক্সটেলিগ্রাম

পাঠকের মন্তব্য

অশ্লীল ভাষা বা লিংক থাকলে মন্তব্যটি সম্পাদকের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করবে।

চিঠিপত্র · পাঠকের মতামত

তানিয়াবাবা তহবিলের টাকা দিয়া তহবিলের প্রমাণ কিনছে। এইটারে বলে সেলফ-সার্ভিস।
আনোয়ার চৌধুরীমান্নান ঠিক কাজ করছে। বিল্ডিংয়ে খাতা একটা, সিল একটা, আলমারির চাবিও একটা। আমার কাছে।
দারোয়ানস্যার খাতার দাম দিছেন পাঁচশো। নতুন খাতার দাম বিশ টাকা। লাভটা নতুন খাতায় লেখা আছে।
← ডিমের দামইলিশ দেখা →