দৈনিক সুখনীড় সমাচার

সত্য প্রকাশে আপোষহীন (কমিটির অনুমোদনক্রমে)

সংখ্যা ০৭ · প্রতিবেদন

ডিজিটাল সাক্ষরতার ক্লাসে শেখানো হলো ‘সিলেক্ট অল’, প্রশিক্ষক বললেন তিনিই শিখেছেন

ছবি: নিজস্ব সূত্র। ডিজিটাল সাক্ষরতার ক্লাসে শেখানো হলো ‘সিলেক্ট অল’, প্রশিক্ষক বললেন তিনিই শিখেছেন

রাজধানীর সুখনীড় টাওয়ারে বাসিন্দাদের জন্য আয়োজিত ডিজিটাল সাক্ষরতা বিষয়ক একটি ক্লাসে তথ্য যাচাইয়ের বদলে একসঙ্গে সব নম্বরে বার্তা পাঠানোর পদ্ধতি শেখানো হয়েছে। পদ্ধতিটি শিখিয়েছেন ক্লাসের একজন অংশগ্রহণকারী।

বুধবার বিকালে ভবনের পার্কিং এলাকায় ক্লাসটি অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজক ছিলেন তৃতীয় তলার বাসিন্দা তানিয়া (২২)।

ক্লাসে চেয়ার ছিল দুটি, যা পঞ্চম তলার বাসিন্দা মকবুল হোসেনের। বাকি অংশগ্রহণকারীরা দাঁড়িয়ে ছিলেন। বয়সে বড় হওয়ায় একটি চেয়ারে বসেন আম্মা (৭৫)।

আয়োজক বোর্ডে তথ্য যাচাইয়ের পদ্ধতি লেখার পাঁচ মিনিটের মধ্যে আম্মা হাত তুলে নিজের মোবাইল ফোন বের করেন।

আম্মা বলেন, তিনি ক্লাসে গিয়েছিলেন এবং সেখানে অন্যরা শিখেছে। তিনি উপস্থিত সবাইকে দেখান কীভাবে একসঙ্গে সব কন্টাক্টে বার্তা পাঠানো যায়।

তার ভাষ্য, আয়োজক যাচাই শেখান এবং তিনি গতি শেখান, দুটিই প্রয়োজন।

ক্লাসে তিনি একটি ফরওয়ার্ড পড়ে শোনান, যেখানে বলা হয়েছে বার্তাটি দশজনকে না পাঠালে ক্ষতি হবে। যাচাই করেছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, করেছেন। যে জিনিস নিজের ক্ষতির কথা নিজে বলে, সে মিথ্যা বলে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তৃতীয় তলার এক নারী বাসিন্দা পদ্ধতিটি লিখে নেন বলে জানা গেছে।

ক্লাস শেষে আয়োজক একটি ভিডিও ধারণ করে সমিতির পেজে প্রকাশ করেন। ভিডিওটি আম্মা ৬০ জনকে পাঠান, যাদের মধ্যে আয়োজকও ছিলেন।

আয়োজক তানিয়া বলেন, ক্লাসে একজনই শিখেছে এবং সেটি তিনি নিজে। সিলেক্ট অল একটি ওয়ার্ল্ডভিউ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আম্মার ছেলে মকবুল হোসেন (৪৮) বলেন, তার মা ফরওয়ার্ড করেন এবং তিনি পোস্ট করেন। এই পরিবারে প্রযুক্তি ব্যালান্সড বলে তিনি দাবি করেন।

ষষ্ঠ তলার বাসিন্দা শাহেদ (৩৪) বলেন, আম্মা তাকেও ফরওয়ার্ড পাঠিয়েছেন এবং তার ভালো লেগেছে। তাকে সাধারণত কেউ কিছু পাঠায় না বলে তিনি জানান।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজের বয়ান: আমি আপডেটেড

← আগের প্রতিবেদনপরের প্রতিবেদন →