দৈনিক সুখনীড় সমাচার

সত্য প্রকাশে আপোষহীন (কমিটির অনুমোদনক্রমে)

সংখ্যা ১৪ · কলাম

শিরোনাম

সুখনীড় দিবসের জন্য একটা কবিতা লিখছি। চল্লিশ লাইন।

সাংস্কৃতিক উপকমিটিতে জমা দিলাম। উপকমিটি মানে আনোয়ার স্যার আর বাতেন ভাই।

স্যার পড়লেন। বললেন, সুন্দর। লম্বা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য অনেক, সময় কম।

প্রথম দিনে কবিতা ছোট হইয়া একটা কাপলেট হইলো: এই দালানে লিফট ঘুমায়, সিঁড়ি জাগে রাতভর, কেউ জানে না কার চাবিতে খোলে কার ঘর।

দ্বিতীয় দিনে বাতেন ভাই বললেন, দ্বিতীয় লাইনটা নেগেটিভ। চাবির কথা শুনলে মানুষ ভুল বুঝবে। ওই লাইন বাদ।

তৃতীয় দিনে প্রথম লাইনও গেলো। লিফট ঘুমায়, এইটা অভিযোগের মতো শোনায়।

রইলো শিরোনাম: "সুখনীড়"।

ছাদে কবুতরগুলা আজকে নিচু দিয়া উড়লো। মনে হইছিলো বৃষ্টি হবে। হয় নাই।

বাতেন ভাই যাওয়ার সময় প্রেস নিয়া কী একটা বললেন। শুনি নাই। কবুতর দেখতেছিলাম।

বিকালে ব্যানার আসলো। মাঝখানে স্যারের বড় ছবি। নিচে ছোট অক্ষরে: সুখনীড়।

আমার কবিতা। পুরাটা।

কবি বলেছেন, যে কবিতা ব্যানারে ওঠে, সেই কবিতা আর কাটা পড়ে না। কবিটা আমি।

শাহেদসদস্য, সুখনীড় কল্যাণ সমিতি
ফ্ল্যাট ৬বি
শেয়ার করুনফেসবুকএক্সটেলিগ্রাম

পাঠকের মন্তব্য

অশ্লীল ভাষা বা লিংক থাকলে মন্তব্যটি সম্পাদকের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করবে।

চিঠিপত্র · পাঠকের মতামত

তানিয়াভাইয়া, এই বিল্ডিংয়ে একটা শব্দ টিকে গেছে। এইটাই রেকর্ড।
আনোয়ার চৌধুরীকবিতা সংক্ষিপ্ত হইলে বেশি মানুষ পড়ে। ব্যানারে সবাই পড়বে।
রোকসানাচল্লিশ লাইন থেকে এক শব্দ। আমার বিয়ার পরের কথাগুলাও এইভাবে কমছে।
← অষ্টম ক্যামেরা