বার্ষিক বনভোজনে লোকসান, আবার চাঁদা দিতে হবে; একমাত্র লাভজনক নিরাপত্তাকর্মীর চায়ের দোকান

বার্ষিক বনভোজন শেষে সন্ধ্যায় সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান (৫২) হিসাব উপস্থাপন করেন। তাঁর হিসাব অনুযায়ী বনভোজনে লোকসান হয়েছে। ফ্ল্যাট প্রতি আরেকবার চাঁদা দিতে হবে। ক্যাশবাক্সটি খালি ছিল।
বনভোজনের দিন ছাদের কোণে চায়ের দোকান চালিয়েছেন নিরাপত্তাকর্মী (৩৮)। তিনি জানান, তাঁর লাভ হয়েছে। পরের বনভোজন তাঁর দোকানে করার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।
সভাপতি আনোয়ার চৌধুরী (৬২) প্রস্তাবটি স্বাগত জানান। তিনি জানান, দোকানের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে, যার সভাপতি হবেন তিনি নিজে। নিরাপত্তাকর্মী দিনের আয় বুক পকেটে রেখে বোতাম লাগিয়ে দেন।